January 26, 2022, 7:44 am

News Headline :
ফুলগাজীতে ভোক্তা অধিকারের অভিযানে তিন ব্যবসায়ীর জরিমানা সোনাগাজীতে প্রতিবন্ধীদের মাঝে হিউম্যান রাইটস রিভিউ সোসাইটির শীত বস্ত্র বিতরণ ফেনীতে কর্মরত চার পুলিশ কর্মকর্তা আইজিপি ব্যাজ পদক পেয়েছেন সোনাগাজীতে শালিশী বৈঠক শেষে হামলায় ইউনুস নামের একজন আহত ফেনীতে ন্যাশনাল চিলড্রেনস টাস্ক ফোর্স এর বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত স্বাস্থ্যবিধি মেনে পরীক্ষা গ্রহনের দাবীতে ফেনীতে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন ছাগলনাইয়ায় গনি আহাম্মদ মিনিবার ফুটবল টুর্ণামেন্টে খেলোয়াড় কল্যাণ সমিতি চ্যাম্পিয়ন ফুলগাজীতে ইউনিয়ন বিএনপি’র আহবায়ক কমিটি গঠন কোম্পানীগঞ্জ চরপার্বতীতে ইউপি নির্বাচনে সহিংসতা রোধে জনসচেতনতা মূলক সভা ছাগলনাইয়া নিউ মার্কেট কমিটির নির্বাচন সম্পন্ন : মিজান সভাপতি, মতিন সম্পাদক
ফেনীর ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীঠ ফেনী সরকারি কলেজ শতবর্ষে পদার্পণ

ফেনীর ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীঠ ফেনী সরকারি কলেজ শতবর্ষে পদার্পণ

 

আফতাব উদ্দিনঃ

১০০ বছরে পদার্পণ করলো ফেনীর ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীঠ ফেনী সরকারি কলেজ।১৯১৮ সালের দিকে কলেজটি প্রতিষ্ঠার জন্য বিভিন্ন উদ্যোগ হাতে নেওয়া হয়।১৯২২ সালে খান বাহাদুর বজলুল হক একটি ট্রাস্টি বোর্ড গঠন করেন এবং তখন থেকেই মূলত কলেজটির যাত্রা শুরু হয়।
কলেজটি যখন প্রতিষ্ঠিত হয়, তখন বৃহত্তর নোয়াখালীতে (ফেনী, নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুর জেলা) এটিই ছিল উচ্চশিক্ষার একমাত্র প্রতিষ্ঠান। সারা ভূ-ভারত জুড়ে অসহযোগ আন্দোলন, খেলাফত ও স্বরাজ আন্দোলন এবং বিশ্বযুদ্ধোত্তর অস্থিতিকর পরিস্থিতিরর মধ্যেও উদ্যোক্তাগণ ফেনীতে একটি উচ্চশিক্ষা বিদ্যাপীঠ স্থাপনের প্রচেষ্টায় তাদের ব্রত থেকে সাফল্য অর্জন করায় ১৯৩৭ সালের ক্যালকাটা গ্যাজেট এ প্রকাশিত হয়েছিল। ১৯৩৯ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হলে ব্রিটিশ সৈন্যরা ফেনী কলেজে অবস্থান নেয়। এ সময় ফেনী কলেজ ভবন যুদ্ধকালীন মিত্রবাহিনীর সামরিক হাসপাতাল হিসেবে ব্যবহৃত হওয়ায় কলেজের কার্যক্রম অস্থায়ীভিত্তিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়াতে ফেনী কলেজ নামে স্থানান্তরিত হয় এবং যুদ্ধ শেষে কলেজটি আবার স্ব-স্থানে ফিরে আসে। পরপবর্তীতে সেখানে ওই অবকাঠামোর ওপরই ব্রাহ্মণবাড়িয়া কলেজ প্রতিষ্ঠা করা হয়। ১৯৭৯ সালের ৭ মে কলেজটি জাতীয়করণ করা হয়।
প্রাচ্যের অক্সফোর্ড খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ১৯২১ সালে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার মাত্র এক বছর পর ১৯২২সালে ফেনী কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয় এবং একই বছরের ৮আগস্ট বাংলা, ইংরেজি, আরবি, ফারসি, সংস্কৃত, গণিত, ইতিহাস ও যুক্তিবিদ্যা বিষয়ে ১৪৬ জন শিক্ষার্থী নিয়ে আই.এ ক্লাস চালু হয়। যার মধ্যে ৭১জন ছিল মুসলিম। শুরু থেকেই উন্নয়নের লক্ষ্যে দৃঢ়নিষ্ঠ অগ্রগতি অর্জিত হওয়ায় সরকার ও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ মাত্র দু’বছরের মধ্যেই ১৯২৪ সালে কলেজটিকে প্রথম শ্রেণির মর্যাদায় উন্নীত করে কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে আরবি ও ইতিহাস বিষয়ে অনার্সসহ ডিগ্রী পর্যায়ে বি.এ কোর্সে পাঠদান অনুমোদন করে।

বর্তমানে উচ্চ ১৫টি বিভাগে স্নাতক-স্নাতকোত্তর (সম্মান), ৪টি বিষয়ে স্নাতক(পাস) কোর্স, উচ্চ মাধ্যমিকে ১৩৫০টি আসনে প্রায় ২৪,০০০ শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত আছে।
প্রতিষ্ঠার পর থেকেই দেশের দক্ষিণ-পূর্ব বাংলার অন্যতম প্রাচীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে জ্ঞানের বিকাশে ভূমিকা রাখছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Comments are closed.




themesba-zoom1715152249
© All rights reserved © 2022 www.nayapaigam.com
Design & Developed BY Host R Web