শনিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৪, ১২:২২ অপরাহ্ন
এইমাত্র পাওয়া সংবাদ :
Welcome To Our Website...

নির্বাচনে না এসে বিএনপি যে ভুল করেছে তার খেসারত তাদের অনেকদিন দিতে হবে: কাদের

  • আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪
  • ৪৯ বার পঠিত

দাগনভূঞা প্রতিনিধি
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আন্দোলনে ব্যর্থ হয়ে নির্বাচনে না এসে বিএনপি যে ভুল করেছে,আগামী দিনে তার খেসারত তাদের দিতে হবে।এছাড়া তাঁরা জনগণের কাছে নালিশ না করে বিদেশিদের কাছে নালিশ করতে বেশি স্বাচ্ছন্দ বোধ করে। এর জন্যও তাদের মাশুল দিতে হবে।সোমবার (২৬ ফেব্রুয়ারী) দুপুরে ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলার জিরো পয়েন্টে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।ওবায়দুল কাদের বলেন, আমার কাছে অবাক লাগে মির্জা ফখরুল জেল থেকে বের হয়ে অসুস্থতার অজুহাতে জনগণের কাছে যাননি।অথচ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদল আসলে হাতে একটা লাঠি নিয়ে তিনি তাদের কাছে নালিশ করতে গেছে। নালিশ করা তাদের রাজনীতি পুরনো অভ্যাস। নালিশ তারা করবে জনগণের কাছে। অথচ জনগণের কাছে করার চেয়ে বিদেশিদের কাছে নালিশ করতে তারা স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন।বিএনপি রাজনীতিতে গলাবাজি করবে।আমরা কি বসে থাকবো ? এর জবাব আমরা রাজনৈতিকভাবে দেবো।এসময় তিনি আরও বলেন,তথ্য প্রবাহের এ যুগে কোনো সত্য লুকিয়ে রাখা যায় না।বিএনপি দাবি করেছিলো তাদের ৪০ হাজার লোক জেলে আছে।এর কিছুদিন পরই কয়েকজনের জামিন হয়েছে।এখন বলছে আর ৪ হাজার আছে।তহলে জেল কর্তৃপক্ষের হিসাব মতে মাসে যে ৪০ হাজার চোর,বাটপার জেলে তারা সবাই কি বিএনপির লোক ? আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, অনেক প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে এবার সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। নির্বাচন ভন্ডুল করতে দেশি-বিদেশি নানা ষড়যন্ত্র হয়েছিল। বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কাউকে ভয় করেনি। সাহস নিয়ে দৃঢতার সাথে তিনি চক্রান্ত মোকাবিলাকরেছেন।বিশ্বে দীর্ঘস্থায়ী নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিজেকে অনন্য উচ্চতায় নিয়েছেন।সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সমালোচনা যারা করবে, তারা দেশেও করবে, বিদেশেও করবে। যারা ক্ষমতা পায়নি, নির্বাচনে আসেনি, তারা টের পাবে নিজেদের রাজনীতিকে কতটা সঙ্কুচিত করেছে।এ জন্য বিএনপিকে খেসারত দিতে হবে।উপজেলা নির্বাচন প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন,এবার আমরা কাউকে নৌকা দিচ্ছি না।অতএব বুঝে-শুনে নির্বাচন করতে হবে। প্রধানমন্ত্রী এ অভিজ্ঞতাও নিতে চান। জাতীয় নির্বাচনে বিএনপি না এলেও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা নির্বাচনকে গ্রহণযোগ্য করে তুলেছিলেন।মতবিনিময়কালে মন্ত্রী আরও বলেন, এই দাগনভূঞায় আমার অনেক স্মৃতি রয়েছে। ফেনী থেকে নোয়াখালী যে অভূতপূর্ব উন্নয়ন ৪ লেন হয়েছে যা ফেনীর লোক ইতিপূর্বে কল্পনাও করতে পারবে না।দাগনভূঞায় এখানে কিছু দোকান ছিল এই এলাকা অন্ধকারে ঢাকা ছিল কিন্তু এখন অনেক প্রশস্ত রাস্তা হয়েছে।এই অঞ্চলের মানুষ এই পরিবর্তনকে স্বাগত জানিয়েছে। ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়ক ছয়লেনে উন্নীত করা হবে। এর দুই পাশে দুটি সার্ভিস লেন হবে।এছাড়া অদূর ভবিষ্যতে এলিভেটেড এক্সপ্রেস ওয়ে উন্নীত করার বিষয়টিও সরকারের বিবেচনায় রয়েছে।প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসা করতে গিয়ে মন্ত্রী বলেন, আজকে দেশের সাধারণ নির্বাচন অনেক প্রতিকূলতা অনেক চক্রান্তের মধ্যে অনুষ্ঠিত হয়েছে।এই নির্বাচন নিয়ে অনেক সংশয় ছিল,অনেকের সন্দেহ ছিল, অনেকের আতংক ছিল ইলেকশন হবে কি হবেনা কিন্তু বঙ্গবন্ধু কন্যা তার যে অসীম সাহস নির্ভীকতা একজন লিডার শেখ হাসিনা তিনি যে ওয়াদা করেছেন যে কমিটমেন্ট বাংলাদেশের সংবিধানের সে কমিটমেন্ট তিনি পূরণ করেছেন অন্ধকার দূর্যোগে মোকাবিলা করে।বিদেশে-দেশে অনেক সন্ত্রাস করেছে প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা কাউকে ভয় পায় না। তিনি অভূতপূর্ব লক্ষ্যের মধ্য দিয়ে এগিয়ে গেছেন। জীবনের ঝুঁকি নিয়েও তিনি তার কর্তব্য সম্পাদন করেছেন।আমার জীবনে আওয়ামী লীগে আমার যে উত্থান তিন বার পার্টি জেনারেল সেক্রেটারি। এদেশে অনেকেই রাজনীতি করে অনেক ত্যাগের স্বীকার হয়েছে জেল,জুলুম নির্যাতনের মধ্য দিয়ে কিন্তু বঙ্গবন্ধু কন্যা আমার মন্ত্রীত্ব সব মিলিয়ে ১৮ বছর একজন মানুষ মন্ত্রী পদে অধিষ্ঠিত থাকে এর নজীর হিসেব করলে খুঁজে পাবেন কিনা বিরল। এই বিরল সৌভাগ্য আমি অর্জন করেছি বঙ্গবন্ধু কন্যা আমার উপর আস্থা রেখেছেন। আমার কাজে সন্তুষ্ট তিনি।আমি ৭৫ পরবর্তীকালে শেখ হাসিনার চেয়ে ভালো মানুষ আমার চোখে পড়েনি।এত ভালো মানুষ রাজনীতিতে আছে এজন্য এ সরকার এতদিন টিকে আছে। তিনি মানুষকে ভালোবাসেন মানুষও তাকে ভালোবাসে এবং সেটার মেলবন্ধন শেখ হাসিনা করেছে। আজকে পৃথিবীর সবচেয়ে দীর্ঘ স্থান নারী প্রধানমন্ত্রীর মর্যাদায় অধিষ্ঠিত হয়েছেন।আওয়ামী লীগের ৪২ বছর সভাপতি এটা আর নজীর নেই প্রধানমন্ত্রী একটানা ১৫ বছর ৯৬ সালে ৫ বছরসহ ২১ বছর তিনি প্রধানমন্ত্রী।এসময় উপস্থিত ছিলেন ফেনী-২ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নিজাম উদ্দিন হাজারী, ফেনী জেলা প্রশাসক মোছাম্মৎ শাহীনা আক্তার,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার দীন মোহাম্মদ,জেলা যুবলীগের সভাপতি ও দাগনভূঞা উপজেলা চেয়ারম্যান দিদারুল কবির রতন, ফেনী পৌরসভার মেয়র নজরুল ইসলাম স্বপন মিয়াজি,ফেনী সদর উপজেলা চেয়ারম্যান শুসেন চন্দ্র শীল, সোনাগাজী উপজেলা চেয়ারম্যান জহির উদ্দিন মাহমুদ লিপটনসহ দাগনভূঞা উপজেলা আওয়ামীলীগের অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো জনপ্রিয় সংবাদ সমূহ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত- 2024 এ ওয়েব সাইটে প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Design & Development By Hostitbd.Com